DinBarta
ঢাকা,

বিদায়ী রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তারের দাবি, আইন কী বলে?

DinBarta
জুলাই ২৫, ২০২৬ ৩:০৫ পূর্বাহ্ণ
শেয়ার করুন:-
Link Copied!

রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তারের দাবি নিয়ে রাষ্ট্রপ্রধান বলেন

“কীসের বিচার করবে; কীসের? সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ পড়ে দেখুক,” পদত্যাগের পর সংবাদমাধ্যমে বলেন দেশের ২২তম রাষ্ট্রপ্রধান।

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন সরে দাঁড়ানোর পর তাকে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও ইনকিলাব মঞ্চ।

আরও পড়ুনঃ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে চীন

তবে পদত্যাগের পর সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথোপকথনে এ ধরনের দাবি উড়িয়ে দিয়ে সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদের কথা সামনে এনেছেন সাহাবুদ্দিন।

সংবিধানের ওই অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতিকে দুই ধরনের সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে করা বা না করা কোনো কাজের জন্য তাকে আদালতে জবাবদিহি করতে হবে না।

দ্বিতীয়ত, রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যধারা দায়ের বা চালু রাখা এবং তাকে গ্রেপ্তার বা কারাবাসের জন্য পরোয়ানা জারি করা যাবে না।

সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করায় কার্যভারকালীন দ্বিতীয় সুরক্ষা তার ক্ষেত্রে আর প্রযোজ্য হবে না। তবে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে করা কাজের দায়মুক্তি পদত্যাগের পরও বহাল থাকে বলে মনে করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাবিবুর রহমান।

তার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির দায়িত্বের অংশ নয়, এমন কোনো কাজ, দুর্নীতি কিংবা রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগের কোনো ফৌজদারি অপরাধ এই দায়মুক্তির আওতায় পড়বে না।

সংবিধানের ৫১(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বা সেই বিবেচনায় কোনো কাজ করলে কিংবা না করলে সেজন্য তাকে কোনো আদালতে জবাবদিহি করতে হবে না। তবে ওই কাজের কারণে সরকারের বিরুদ্ধে আইনি কার্যধারা নেওয়ার অধিকার বহাল থাকবে।

আরও পড়ুনঃ ঢাকার সেরা কাচ্চি বিরিয়ানি

এই সুরক্ষাকে রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালের মধ্যে সীমিত করা হয়নি।

অন্যদিকে ৫১(২) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তার বিরুদ্ধে আদালতে ফৌজদারি কার্যধারা দায়ের বা চালু রাখা এবং তাকে গ্রেপ্তার বা কারাবাসের জন্য পরোয়ানা জারিতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

হাবিবুর রহমান বলেন, “সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কৃতকার্যের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। এই দায়মুক্তি পদত্যাগের পরেও কার্যকর থাকবে। সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি হিসেবে ভূমিকার জন্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে কোনো আইনগত কার্যধারা গ্রহণ করা যাবে না।”

তবে সব ধরনের কাজে দায়মুক্তি দেয় না মন্তব্য করে তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি পদের দায়িত্বের অংশ নয় এমন কোনো কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে দায়মুক্তি থাকবে না। এছাড়া কোনো ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে কোনো ফৌজদারি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট থাকলে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলতে পারে।”

সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তারের দাবির বিষয়ে এই আইনজীবী বলেন, “কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত কেউ কোনো সুনির্দিষ্ট আমলযোগ্য ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে মামলা দায়ের না করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত গ্রেপ্তার করার কোনো সুযোগ নাই। আমরা সেরকম কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ কাউকে তুলতে শুনিনি।”

আরও পড়ুনঃ ভাত না রুটি, কী খাওয়া উচিত?

‘কীসের বিচার করবে’

স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে শুক্রবার রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ান সাহাবুদ্দিন।

পদত্যাগের পর টেলিভিশন স্টেশন চ্যানেল ওয়ানের সঙ্গে কথোপকথনে লন্ডন সফর নিয়ে ছড়ানো অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘কল্পনাপ্রসূত’ বলে উড়িয়ে দেন সাহাবুদ্দিন।

তিনি বলেন, “পৃথিবী তো এখন এত ছোট যে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকে কানেক্ট করা যায়। বাংলাদেশ থেকে কি দিল্লি কথা বলা যায় না? তাহলে আমাকে লন্ডন যেতে হবে? অবান্তর, অবান্তর, অবান্তর!”

ওই অভিযোগের সঙ্গে পদত্যাগের কোনো সম্পর্ক নেই দাবি করে তিনি বলেন, সাত-আট দিন ধরে পদত্যাগের কথা ভাবছিলেন। রাজনৈতিক কোনো কারণে নয়, শারীরিক অসুস্থতার কারণেই পদত্যাগ করেছেন বলে জানান তিনি।

পরবর্তী পরিকল্পনার বিষয়ে সাহাবুদ্দিন বলেন, “পরবর্তী পরিকল্পনা চিকিৎসা, উন্নত চিকিৎসা করা, দেশে এবং বিদেশে। প্রথমে এইটা।”

শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে ১০-১২ দিনের মধ্যে বিদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এনসিপির পক্ষ থেকে তার বিচারের দাবি তোলার প্রসঙ্গে সাহাবুদ্দিন বলেন, “ধুর! এগুলো বাদ দেন। এগুলো পাত্তা দেই না।”

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা তার কাছেই শপথ নিয়েছিলেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, “আর কীসের বিচার করবে? কীসের? কীসের বিচার করবে? সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ পড়ে দেখুক।”

আরেক বেসরকারি টেলিভিশন স্টেশন ডিবিসির সঙ্গে কথোপকথনে পদত্যাগের আগে কোনো ফোন বা চাপ ছিল কি না, এমন প্রশ্নে সাহাবুদ্দিন বলেন, “না না না না… এগুলো বাজে কথা। ফলস।”

এ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যকে ‘অপতথ্য, বেসলেস, ক্রিয়েটেড, কল্পনাপ্রসূত’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “আমি তো কোনো অপরাধী নই। আমি রাষ্ট্রপতি হিসেবে মাথা উঁচু করে কাজ করছি। ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট করছি চব্বিশে, ৫ অগাস্টের পরে।”

সংবিধান ধরে রেখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন এবং নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে নিজের ভূমিকা নিয়ে ‘প্রাউড’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

‘সেফ এক্সিট’ না দেওয়ার দাবি এনসিপির

রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি তোলেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

তিনি বলেন, “আমরা দাবি জানাচ্ছি যে, অবিলম্বে এই সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে গ্রেপ্তার করতে হবে এবং বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।”

সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের কারণ নিয়ে আখতার বলেন, “পদত্যাগপত্রে তিনি যে ন্যারেটিভ টেনেছেন, সেগুলো আসলে অপ্রাসঙ্গিক।”

অসুস্থতার কথা বললেও পদত্যাগপত্রে সাহাবুদ্দিন নিজের জন্য ‘সেফ এক্সিটের জায়গা’ তৈরির চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ করেন এনসিপির এই নেতা।

তিনি বলেন, “অসুস্থতার অজুহাতের কথা বললেও তার পদত্যাগপত্রের মধ্যে এমনভাবে তিনি ন্যারেটিভ সাজিয়েছেন, যেটা আসলে তার জন্য একটা সেফ এক্সিটের জায়গা তৈরি করতে পারে। কিন্তু এই সাহাবউদ্দিন চুপ্পুকে সেফ এক্সিট দেওয়ার কোনো মানেই নেই। তিনি যত অপরাধ করেছেন, সেই অপরাধগুলোতে তাকে অবশ্যই বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।”

এর আগের রাতে জামালপুরে এক সমাবেশে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছিলেন।

মিছিল ইনকিলাব মঞ্চের

সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর শুক্রবার বিকালে তাকে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবিতে মিছিল করে ইনকিলাব মঞ্চ।

সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র আবদুল্লাহ জাবের বলেন, “শেখ হাসিনার গুম-খুনকে বৈধতা দিয়েছেন সাহাবুদ্দিন চুন্নু। কিন্তু ৫ আগস্টের পর তাকে অপসারণ করে বিচারের দাবি করা হলেও বিএনপি সরকার তা অগ্রাহ্য করেছে। আমরা চাই একজন গণহত্যার সহায়তাকারী হিসেবে তার বিচার করা হোক। অন্যথায় কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”

তদন্ত ও বিচার চায় খেলাফত মজলিস

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক ও মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, “সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর থেকেই তিনি রাষ্ট্রপতির পদে থাকার নৈতিক ও রাজনৈতিক বৈধতা হারিয়েছিলেন।”

তারা বলেন, “যে কারণেই সাহাবুদ্দিন চুপ্পু পদত্যাগ করে থাকুন না কেন, তার পদত্যাগে দেশের মানুষ স্বস্তি অনুভব করছে। তবে শুধু পদত্যাগের মাধ্যমে তার দায় শেষ হয়ে যায় না।

“তাকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত সকল অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।”

‘তার বিচার দাবি করা হাস্যকর!’

সাহাবুদ্দিনের বিচার দাবি করায় নাহিদ ইসলামদের সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।

শুক্রবার ফেইসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রপতিকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। নাহিদ ইসলামরা যদি সংবিধান মেনে সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ না নিয়ে বিপ্লবী সরকার গঠন করতো , সেক্ষেত্রে দায়মুক্তির প্রসঙ্গ আসত না। এবং সদ্যবিদায়ী রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকত। কিন্তু সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ নেওয়ার মাধ্যমে তাকে একপ্রকার ক্ষমা করে দিয়ে নতুনভাবে বৈধতা দিয়েছিল নাহিদ ইসলামদের পরামর্শে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।”

তিনি আরও লিখেছেন, “আপনি কাউকে ক্ষমা করে দিয়ে ও একপ্রকার নতুনভাবে মূল্যায়ন করে, আবার তার বিচার দাবি করতে পারেন না। বরং নাহিদ ইসলামদের ভুলের জন্য তাদেরই উচিত জাতির কাছে ভুল স্বীকার করে দুঃখপ্রকাশ করা। তারা এখন জনগণকে আইওয়াশ করতে রাষ্ট্রপতির বিচার দাবি করছে। কিন্তু এই বিচার কেন তাদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে করেনি? সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতিকে বহাল রেখে মধু খেয়ে, আবার এখন তার বিচার দাবি করা হাস্যকর!”

‘কোনো মন্তব্য নাই’ হাফিজের

শুক্রবার জাতীয় সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র পাওয়ার কথা জানান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কার্যভার নেওয়ার কথা বলেন তিনি।

সাহাবুদ্দিনকে গ্রেপ্তারের দাবি নিয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “এ ব্যাপারে আমার কোনো মন্তব্য নাই।”

জামায়াতের ‘শুকরিয়া’

সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগে ‘শুকরিয়া’ আদায় করেছেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

ঢাকার মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, “স্বৈরাচারের একটি কালো ছায়া সরে গেলো, এজন্য আমরা আল্লাহ তায়ালার শুকরিয়া আদায় করি। তিনি কি কারণে পদত্যাগ করেছেন, এ বিষয়ে আমাদের কোনো আগ্রহ নাই। কারণ আমরা আগে থেকেই বিবেচনায় নিয়েছি তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে থাকার যোগ্য না।”

সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে এক প্রশ্নে শফিকুর বলেন, “যদি সেই ধরনের কোনো ক্রেডিবল আলামত পাওয়া যায়, তাহলে কোনো ব্যক্তিই তো আইনের ঊর্ধ্বে নন।”

২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় রাষ্ট্রপতির ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, “নিহতদের বিষয়ে গণহত্যার বিরুদ্ধে তিনি একটা কথাও উচ্চারণ করেননি। তার দায়ভার আছে। ‘এটা থামাও, এটা জুলুম’, এটা তিনি বলতে পারেননি।”

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল পাঁচ বছরের জন্য দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন সাহাবুদ্দিন। মেয়াদের পৌনে দুই বছর বাকি থাকতে শুক্রবার তিনি পদত্যাগ করেন।

পদত্যাগপত্রে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি জটিলতা ও ‘অটোনমিক নিউরোপ্যাথি’তে আক্রান্ত হওয়ার কথা লিখেছেন তিনি।

২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সাহাবুদ্দিন বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং তিনি তা গ্রহণ করেছেন। পরে ওই বছরের ১৯ অক্টোবর এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার পদত্যাগের কোনো ‘দালিলিক প্রমাণ’ তার কাছে নেই।

ওই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। বিভিন্ন সংগঠন তার পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে নামে।

সাহাবুদ্দিনকে সরানো হলে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হতে পারে, এমন যুক্তিতে সে সময় তার অপসারণের বিরোধিতা করেছিল বিএনপি। পরে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে সাহাবুদ্দিন নিজেই সংসদ নির্বাচনের পর সরে যাওয়ার আগ্রহের কথা জানান।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।

DinBarta | দিনবার্তা টেলিগ্রাম চ্যানেলে যোগদিন.