spot_img
শনিবার, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৪
24 C
Bangladesh
শনিবার, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৪
শনিবার, ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৪
spot_img
আরও
    DinBartaবিনোদনব্রা ছাড়াই বেরোতে পারি: শ্রীলেখা মিত্র
    spot_imgspot_img

    ব্রা ছাড়াই বেরোতে পারি: শ্রীলেখা মিত্র

    শ্রীলেখার মতে, কেবল স্তন আড়াল করার জন্য ব্রা পরা হয় না। শারীরিক গঠনকে ঠিক রাখতেও ব্রা পরে মহিলারা। যদিও তিনি নিজে ব্রা না পরে রাস্তায় বেরোতে চান না। কিন্তু বাড়িতে ব্রা ছাড়া থাকতেই অভ্যস্ত তিনি।

    শ্রীলেখা বললেন, ”যদি আমাদের দেশে মহিলাদের বুকের দিকে তাকানো বন্ধ হয়, তা হলে হয়তো আমিও ব্রা ছাড়াই বেরোতে পারি। কিন্তু হঠাৎ আন্দোলন করতে হবে বলে ব্রা না পরে রাস্তায় বেরিয়ে যাব না আমি। ব্রা না পরা তো দূরের কথা, সরু ফিতের পোশাক পরে একটা রিল করেছিলাম, তাতে এক মহিলা আমাকে উদ্দেশ্য করে লেখেন, ‘ওটাও খুলে ফেলো’। তাই আমার চারপাশটা দেখলে ও রকম কোনও পদক্ষেপ করতে ইচ্ছে করে না।’’

    শ্রীলেখা মিত্র বলেন, সব সময়ে ব্রা পরে থাকাও যায় না। কষ্ট হয় শরীরে। মাঝে মাঝে খুলে রাখতে ইচ্ছে করে। কিন্তু সমাজের মানসিকতার জন্যই সেটা করা যায় না।

    অনিন্দিতা বসু এবং শ্রীলেখা মিত্র
    অনিন্দিতা বসু এবং শ্রীলেখা মিত্র। ছবিঃ ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

    অনিন্দিতা আলাদা করে ব্রা না পরা নিয়ে কোনও আন্দোলন শুরু করতে চান না। তার কারণ, তিনি নিজে ব্রা ছাড়া পোশাক পরায় স্বাচ্ছন্দ্য নন। কিন্তু যাঁরা প্রগতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে চাইছেন, তাঁদের প্রতি অগাধ শ্রদ্ধা জানালেন অনিন্দিতা।

    আরও পড়ুনঃ সৌদি আরবে সিনেমা হল, বছরে আয় ৩৮৫০ কোটি টাকা

    তাঁর কথায়, ”তবে আমি মনে করি, আমি যে নারীবাদী, তা প্রমাণ করার দরকার নেই কারও কাছে। ব্রা পরা বা না পরা নিয়ে আসলে কথা বলাটাই উচিত নয়। কারণ বিষয়টাকে মানুষের চোখে স্বাভাবিক করে তুলতে হবে। ব্রা না পরে কেউ রাস্তায় গেলে সেটা যে বিশেষ কোনও ব্যাপার, এই ধারণা থেকে মুক্ত হতে হবে মানুষকে।” কিন্তু ভারতে এই মনোভাবকে বিদায় দেওয়া খুব সহজ নয় বলে মত তাঁর।

    অনিন্দিতা জানালেন, বেশ কিছু অনুষ্ঠানে তিনি ব্রা ছাড়া পোশাক পরে গিয়েছিলেন। কিন্তু কোনও প্রকার বক্তব্য তৈরি করার জন্য নয়। যে পোশাকের সঙ্গে ব্রা পরা যায় না, সেই সেই ক্ষেত্রে তিনি ব্রা-কে নিজের শরীর থেকে বাদ রেখেছেন। কিন্তু এমন ভাবেই সেই পোশাককে সামলেছেন, যাতে বাইরের মানুষের নজরে না পড়ে। পোশাকের প্রয়োজনে আবারও একই ভাবে সাজতে পারেন অনিন্দিতা।

    শ্রীলেখা বলেন, ‘‘কালীদাস থেকে শুরু করে মকবুল ফিদা হোসেন, শিল্পীদের শিল্পে বারবার নারী শরীরকে পুজো করা হয়েছে প্রকৃতি হিসেবে। কিন্তু লালসার নজরে দেখাটাই সমস্য়াজনক। কেউ তো কারও শরীরের প্রশংসাও করতে পারে। কোনও নারীর বক্ষযুগল সুন্দর বললে তো কোনও দোষ নেই। কিন্তু লালসার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসাটাই আসল। সেখানেই পাশ্চাত্যের সঙ্গে তুলনা করলে চলবে না আমাদের। ওরা যত সহজে ব্রা ছাড়া বেরোতে পারে, আমরা পারি না। ওই একটি কারণে।সেখানে পৌঁছতে অনেক সময় লাগবে। মনোভাবের সার্বিক পরিবর্তন প্রয়োজন। এ দেশে যে দিন সেটা সম্ভব, তত দিন হয়তো আমরা কেউ বেঁচে থাকব না।’’

    দুই নায়িকার আশা, কোনও না কোনও দিন এই দেশেও মেয়েরা ব্রা না পরে হাঁটবে এবং কয়েক জোড়া চোখ তাঁদের বুকের দিকে তাকিয়ে থাকবে না। কিন্তু কবে? উত্তর অজানা।

    বার্তা সোর্সঃ আনন্দবাজার পত্রিকা অনলাইন

    spot_imgspot_img

    ফলো করুন-

    সম্পর্কিত বার্তা

    জনপ্রিয় বার্তা

    সর্বশেষ বার্তা